শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
রাতের আধারে ত্রাণ নিয়ে আমেনা বেগমের পাশে রাজাপুর’র ইউএনও

রাতের আধারে ত্রাণ নিয়ে আমেনা বেগমের পাশে রাজাপুর’র ইউএনও

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ
সারা দেশে করোনাভাইরাসে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ, অভাব-অনটন। এর থেকে রাজাপুর বাসীকে রক্ষা করতে সরকারের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন। কারো ঘরে খাবার না থাকলে খবর পেয়ে গ্রামগঞ্জে ত্রাণ নিয়ে ছুটে যান ওই কর্মকর্তা।

সোমবার (১০ মে) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট কৈবর্তখালী গ্রামে অসহায়, হতদরিদ্র, কর্মহীন আমেনা বেগমের আর্তনাতের কথাগুলো সাংবাদিক মোঃ নাঈম হাসান ঈমন তার ব্যাক্তিগত ফেসবুকে লাইভ ভিডিও পোষ্ট করেন পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে সেই ভিডিও রাজাপুর ইউএনওর নজরে পরার পরে রাতেই নিজস্ব গাড়িতে করে সেই আমেনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে হাসি ফুটিয়েছেন। এবং ভূমিহীনদের দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ঘর ও সরকারি ভাতা আমেনা বেগম কে দেওয়ার কথা জানান।

আমেনা বেগম জানান,আমার আয় করার মত কেউ নাই, আমার স্বামী সন্তান নাই, থাকার মতো কোনো স্থান নাই। ইউএনও স্যার আমার সমস্যার কথা শুনে নিজেই খাদ্যসামগ্রী নিয়ে আমার কাছে হাজির হয়েছেন। এই সময়ে আমার অনেক উপকার হয়েছে। আমকে বলছে থাকার মতো সরকারি ঘর ও ভাতা দিবে আমি ইউএনও স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই আমি তাকে দোয়া করি আল্লাহ তার সহায় হোক।

এ বিষয়ে রাজাপুর ইউএনও মোক্তার হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো ইফতারের পর একটু বিশ্রামের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। হঠাৎ অফিসিয়াল ফেসবুকে ঢুকা মাত্রই প্রথমে আমেনা বেগমের ছবিটা চোখে পড়ল। তার খাওয়ার মত কিছু নেই। তৃতীয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করে পোষ্ট দাতার নম্বর পাওয়া গেলো। পোষ্ট দাতাকে ফোন দিয়ে ঠিকানা নিয়ে ছুটলাম আমেনা বেগমের কাছে যাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সহায়তা হাতে তুলে দিলাম। জানতে পারি তার থাকার কোনো জায়গা নেই ও কোনো ভাতাও পাচ্ছেননা। এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন হলেই আমেনা বেগমের জন্য ঘর এবং কোনো ভাতার ব্যবস্থা করব।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD